সোমবার, অক্টোবর ২৬, ২০২০

সেই ছাত্রীর শারীরিক সম্পর্কের প্রমাণ পায়নি বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ২০২০-১০-১১ ১৮:০৭:৩৫
image

সেই ছাত্রীর শারীরিক সম্পর্কের প্রমাণ পায়নি বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের তদন্ত কমিটি। রবিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

ডাকসুর সাবেক (ভিপি) নুরুল হক নুর ও হাসান আল মামুনের বিরুদ্ধে ছাত্রীর করা ধর্ষণ মামলার পরিপ্রেক্ষিতে এই কমিটি করা হয়।

প্রতিবেদনে কমিটি জানায়, প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্কের মতো কোন ঘটনা ঘটেছে কি না সে বিষয়ে তদন্ত কমিটি তথ্য প্রমাণ পায়নি। এমনকি অভিযোগকারীও এ বিষয়ে কমিটির কাছে কোন তথ্য প্রমাণ দিতে পারেনি।

তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক মো. বিন ইয়ামীন মোল্লা ও সদস্য তারেক রহমান ও রাজিয়া সুলতানা স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অভিযোগকারীকে (ছাত্রী) বিভিন্ন মিডিয়ায় ছাত্র অধিকার পরিষদের কর্মী বলে প্রচার করা হচ্ছে। এছাড়া সাংগঠনিক পরিচয়ের মাধ্যমে তার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের কথা বলা হচ্ছে। আদতে অভিযোগকারী ছাত্র অধিকার পরিষদের কর্মী নন। কখনো তিনি ছাত্র অধিকার পরিষদের সাংগঠনিক কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।

সেখানে আরো বলা হয়, অভিযোগকারী এজাহারে হাসান আল মামুনের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্কের কথা উল্লেখ করলেও হাসান আল মামুন সেটি অস্বীকার করেছেন। তবে একই বিভাগের শিক্ষার্থী হিসেবে হাসান আল মামুনের সঙ্গে তার পরিচয় ছিল বলে জানিয়েছেন।

নুরুলের সঙ্গে ওই ছাত্রীর দেখা করার বিষয়ে বলা হয়, অভিযোগকারী এজাহারে ২৪ জুন নুরুল হক নুরের সঙ্গে বিষয়টি মীমাংসার জন্য নীলক্ষেত দেখা করার কথা উল্লেখ করলেও অভিযোগকারীর সঙ্গে নুরের সরাসরি সাক্ষাৎ হয়নি। তবে আনুমানিক মাস তিনেক আগে অভিযোগকারী একবার নুরুল হক নুরের কাছে ফোন করে ঢাকায় এসে দেখা করবেন বলে জানালেও আর দেখা করেননি।

গত ২০ সেপ্টেম্বর রাতে ধর্ষণ ও ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগ এনে লালবাগ থানায় মামলা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামি স্টাডিজ বিভাগের ওই ছাত্রী। এতে হাসান আল মামুনকে প্রধান আসামি এবং ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরসহ ছয়জনকে আসামি করা হয়।

পরদিন একই বাদী কোতোয়ালি থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন। তবে ১৭ দিন পার হলেও কেউ গ্রেফতার না হওয়ায় গত বৃহস্পতিবার রাতে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে অনশনে বসেন তিনি। টানা অনশনের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েন।

শনিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা, হাতে স্যালাইন লাগিয়ে শুয়ে আছেন ওই ছাত্রী। এসময় তার পাশে সংহতি জানিয়ে অবস্থানরত সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক জেসমিন আক্তার রিপা বলেন, একটানা না খাওয়ার কারণে রাতে তিনি দুর্বল হয়ে পড়েছেন। তার অবস্থার খারাপের দিকে যাচ্ছে। এ পর্যন্ত তিনি ১১ বার বমি করেছেন। সূত্র: ইত্তেফাক।

 

 

এশিয়ান টাইমস/এমজেডআর


এ জাতীয় আরো খবর