শনিবার, জানুয়ারী ১৬, ২০২১

সৈয়দপুরে ফুটপাত ও রাস্তা দখল করে ব্যবসা

  • আমিরুল হক, নীলফামারী
  • ২০২০-১১-২৪ ১৭:৪৫:৩৩
image

দখলে চলে গেছে নীলফামারীর সৈয়দপুর শহরের ফুটপাত। এতে প্রতিদিন মারাত্মক যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষের। 

শহরের প্রাণকেন্দ্র এক নম্বর রেল গুমটি বঙ্গবন্ধু চত্তর (পাচমাথা মোড়) থেকে বিমানবন্দর সড়ক, তাজির হোটেল থেকে বাস টার্মিনাল পর্যন্ত, তামান্ন সিনেমা হল থেকে ২ নং রেলওয়ে গুমটি পর্যন্ত শের-ই -বাংলা সড়ক, পোস্ট অফিসের সামনে থেকে শহীদ ডা: শামসুল হক রোড, জিআরপি ক্যান্টিনের সামনে থেকে বঙ্গবন্ধু চত্ত্বর (পাঁচ মাথা মোড়) ও ২নং রেলওয়ে গেট থেকে থানার মোড় পর্যন্ত সড়কের দুই পাশ দখল করে চলছে রকমারি ব্যবসা। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সড়কে চলে বিকিকিনি। রাস্তার দুই পাশে থাকা দোকানের বেশির ভাগ মাল রাখা হয় রাস্তায়। বিশেষ করে স্বনামধন্য বেশ কিছু খাবার হোটেলের সামনে সকাল গভীর রাত পর্যন্ত রাস্তা দখল করে মোটরসাইকেল, মাইক্রো ও প্রাইভেট কার পার্কিং করা হচ্ছে। এতে যানজট লেগেই থাকছে। মানুষ চলাচলে সৃষ্টি হচ্ছে প্রতিবন্ধকতা। 

এসব রোড দিয়ে চলাচলকারী পথচারীরা অভিযোগ করেন, রাস্তাগুলো বেশ চওড়া হলেও বেশির ভাগ দখল করে ব্যবসা করছেন হকাররা। তাছাড়া অধিকাংশ দোকানের সামনের অংশে রাখা হয়েছে দোকানের মালামাল। বাংলাদেশের ওয়ার্কাস পার্টি সৈয়দপুর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক রুহুল আলম বলেন, দোকানের ভিতরের চেয়ে রাস্তায় মাল বেশি। এরপর রিকশা-ইজিবাইক রাখা হচ্ছে দুই-তিনটি করে। চলতে থাক লোড-আনলোড। ফলে সড়কগুলো একেবারেই সরু হয়ে গেছে। ফলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে।

২০১৭ সালে তৎকালীন সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বজলুর রশিদ রাস্তাঘাট ও ফুটপাত দখলমুক্ত করতে সচেতনতা বৃদ্ধিতে লিফলেট বিতরণ করেন। সে সময় তিনি নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করায় ফুটপাত ও রাস্তাঘাট কিছুটা দখলমুক্ত হয়। কিন্তু কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা না থাকায় পরবর্তীতে আবারও সড়ক ও ফুটপাতগুলো আগের অবস্থায় ফিরে গেছে।

জানতে চাইলে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাসিম আহমেদ বলেন করোনা পরিস্থিতে দীর্ঘদিন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। তিনি আরো জানান, যানজট নিরসনে খুব শিগগির ফুটপাত ও রাস্তাঘাট অবৈধ দখলমুক্ত করতে অভিযান পরিচালনা করা হবে।

 

 


এশিয়ান টাইমস্/এমজেডআর


এ জাতীয় আরো খবর